• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৩ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু

৯০ যাত্রী ও ৮ ক্রু নিয়ে বিমান বিধ্বস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ২২ মে ।। পাকিস্তানের করাচিতে ৯০ যাত্রী ও ৮ ক্রু নিয়ে একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। বিমানটি লাহোর থেকে এসেছিলো বলে জানা গেছে।

লাহোর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমানটি জিন্নাহ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলো বলে বিবিসি খবরে জানানো হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিধ্বস্ত বিমানের কিছু ছবি এরই মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে যেখানে বিমান বিধ্বস্তের স্থান থেকে ধোয়া উড়তে দেখা যাচ্ছিলো।

ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার জিন্নাহ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর করাচীর কাছে মডেল কলোনিতে এয়ারক্রাফ্ট এ-৩২০ এয়ারবাসটি বিধ্বস্ত হয়।

পাকিস্তানের বিমান চলাচলকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, লাহোর থেকে জিন্নাহ আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করা একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। বিমানটিতে ৯০ জন যাত্রী ছিল।

পাকিস্তানের বিমান চলাচলকারী সংস্থার মুখপাত্র আব্দুল্লাহ হাফিজ জানান, লাহোর থেকে ৯০ জন যাত্রী ও ৮ জন বিমান স্টাফ নিয়ে করাচির উদ্দেশ্যে যাত্রা করে বিমানটি। বিমানটি উদ্ধারের সব ধরণের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আপাতত এর থেকে বেশি কোন তথ্য নেই আমাদের কাছে।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের মুখপাত্র আব্দুল সাত্তার বলেন, ‘বিমানটি করাচিতে বিধ্বস্ত হয়েছে৷ আমরা যাত্রীদের সংখ্যা নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করছি৷ কিন্তু প্রাথমিকভাবে (জানা গেছে) এতে ৯৯ জন যাত্রী এবং আটজন ক্রু সদস্য ছিলেন৷’ রাষ্ট্রীয় বিমান পরিবহন সংস্থা পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের বিমানটি লাহোর থেকে আসছিল বলে জানান তিনি৷

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিধ্বস্ত হওয়ার আগে বিমানটি দুই থেকে তিনবার জিন্নাহ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের চেষ্টা করেছিল৷

করোনাভাইরাসের প্রকোপ ঠেকাতে বন্ধ রাখার পর সম্প্রতি বাণিজ্যিক বিমান চলাচল আবারও চালু করেছে পাকিস্তান৷

এর আগে ২০১০ সালে ইসলামাবাদে এক বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১৫২ জন প্রাণ হারায়। ২০১২ সালে পাকিস্তানের ভোজা এয়ার পরিচালিত একটি বোয়িং ৭৩৭-২০০ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১২১ জন প্রাণ হারায়। এছাড়া ২০১৬ সালে ইসলামাবাদে আরেকটি বিমান ৪৭ যাত্রী নিয়ে বিধ্বস্ত হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ